360 x 130 ad code [Sitewide - Site Header]

রাজনৈতিক সহানুভূতি অর্জন করা কি খুব জরুরী ছিল?

Share via email

যখন স্যার কে রক্তাক্ত অবস্থায় কেউ ভালবেসে হাসপাতাল এ নিয়ে দৌড়ায় ঠিক তখনই কেউ রাজনৈতিক সহানুভূতি অর্জনের চেষ্টা চালায়। আপনাদের সামনে আসল ঘটনা জানানো উচিৎ বলে মনে হলো, তাই এটি লিখেছি। যখন আমি , রিতেস দাদা, আর মোশাররফ ভাই স্যার কে কোলে তুলে হসপিটাল দৌড়ালাম তখন শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের দুই ভাই ও আমাদের সাথে ছিলেন। তারা বেশ সাহায্য করেছেন আমাদের। কিন্তু জানিনা তারা কেন সাহায্য টা করলেন।

যখন গাড়িতে স্যারকে কোলে আগলে রাখলাম পুরো শরীর আমার রক্তে ভেসে যাচ্ছিল তখন শাবিপ্রবি ছাত্রলীগ ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুহুল ভাইকে বললাম ভাই আপনি মেডিকেলে একটা ফোন করেন তারা যেনো নিচে ট্রলি টা রেডি রাখে। জানিনা রুহুল ভাই কাকে ফোন করলেন। স্যার রুহুল ভাইকে বললেন “এইটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বানানোর চেষ্টা করোনা”। স্যার বললেন ম্যাম কে ফোন করতে। রিতেস দা স্যারের ফোন থেকে ম্যাডাম কে ফোন করে স্যারের কাছে দিলেন। স্যারের ফোনে বললেন “ইয়াসমিন আমার উপর হামলা হয়েছে আমি ঠিক আছি , শিক্ষার্থীরা আমাকে হসপিটালে নিয়ে যাচ্ছে। তুমি চিন্তা করোনা।”
যাই হোক পিছনে কেউ ছিল, আমি যার টি শার্ট টা খুলে স্যারের মাথায় চেপে দিলাম রক্ত বন্ধ করার জন্য। স্যারকে জিজ্ঞাসা করলাম আপনার রক্তের গ্রুপ কি? স্যার খুব সরল ভাবেই বললেন A+। আমিও বললাম আমার ও A+।
এর মধ্যে স্যার একবার বললেন আমি ঠিক আছি তোমরা চিল্লাপাল্লা করোনা আমাকে নিয়ে চলো।

এখন কথা হলো কেও কেও বলছেন স্যারের ছাত্র কেউ ছিল না। সবই নাকি ছাত্রলীগের ভাইয়েরা করছেন । আপনারাই যদি করে থাকেন আমরা কোথায় ছিলাম? আমি তো পরে দেখতেছিলাম আপনাদের কাজের চেয়ে মিডিয়ার সামনে যাওয়া নিয়ে দৌড়া-দৌড়ি শুরু হয়ে গিয়ে ছিল। ভাই আপনাদের এই বিষয়টা নিয়েও রাজনৈতিক সহানুভূতি অর্জন করা খুব কি জরুরী ছিল? যেখানে স্যার নিজেই নিষেধ করলেন।

যাই হোক আমি প্রথম এ স্যারের একজন ছাত্র তারপর একজন ছাত্রলীগ কর্মী। আমাকেও অনেক মিডিয়া ফোন করে ছিল। তাদের আমি ফটো নিতেও দেইনি আমার কোনো বিবৃতিও দেই নাই। শুধু একটা কথাই বলবো যদি আপনারা রাজনৈতিক কারনে আমাদের সাথে গিয়ে থাকেন তাহলে আপনাদের না যাওয়াই ভালো ছিল। আমরা স্যারের ছাত্ররাই প্রয়োজনে জীবন দিয়ে দিতাম স্যারকে বাঁচানোর জন্য।

পারলে ভাই আপনারা ক্যাম্পাসে একটা সীমানা প্রাচীর তৈরী আর বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ বন্ধ করার চেষ্টা করেন। পরিশেষে স্যারের সু্স্থতা ও স্যার আমাদের মাঝে আবার দ্রুত ফিরে আসুক এই কামনা করছি।

 

লেখক পরিচিতি: মো সবুজ খন্দকার ,

শিক্ষার্থী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

সিএসই বিভাগ, ২০১৪-১৫ সেশন।

লেখাটি  সাস্টনিউজের খোলাকলম বিভাগে প্রকাশিত। এ বিভাগে প্রকাশিত সকল মতামতের দায়ভার লেখকের।  আপনার  সুচিন্তিত মতামত  কিংবা প্রবন্ধ (৩০০ শব্দের উর্ধ্বে) পাঠাতে পারেন  sustnews24@gmail.com ঠিকানায়

Share via email

ক্যাটাগরি অনুযায়ী সংবাদ

এই সংবাদটি ৪ মার্চ ২০১৮ইং, রবিবার ২৩টা ৪৬মিনিটে খোলা কলম, ডক্টর মুহম্মদ জাফর ইকবাল, নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম, মতামত, সর্বশেষ ক্যাটাগরিতে প্রকাশিত হয়। এই সংবাদের মন্তব্যগুলি স্বয়ঙ্ক্রিয় ভাবে পেতে সাবস্ক্রাইব(RSS) করুন। আপনি নিজে মন্তব্য করতে চাইলে নিচের বক্সে লিখে প্রকাশ করুন।

Leave a Reply

300 x 250 ad code innerpage

Recent Entries

120 x 200 [Sitewide - Site Festoon]
প্রধান সম্পাদক: সৈয়দ মুক্তাদির আল সিয়াম, বার্তা সম্পাদক: আকিব হাসান মুন

প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার প্রধান সম্পাদকের। Copyright © 2013-2017, SUSTnews24.com | Hosting sponsored by KDevs.com