360 x 130 ad code [Sitewide - Site Header]

শাবিপ্রবির গবেষণায় হাকালুকিতে ‘লালচে কয়লা’র সন্ধান

Share via email

সাস্টনিউজ ডেস্ক:

সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলের হাকালুকি হাওরে সন্ধান পাওয়া কয়লা কালচে (পিট) নয়, লালচে (লিগনাইট) – প্রাথমিক গবেষণায় এমনটাই দাবী করছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পেট্রোলিয়াম ও খনি কৌশল (পিএমই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর মো শফিকুল ইসলাম ও তাঁর তত্ত্বাবধানে গবেষণাকার্যে নিয়োজিত স্নাতক শেষ বর্ষের ছাত্র নওরোজ কোরায়েশী দীপ্ত। এ গবেষণা কাজে সহযোগিতা করছেন, একই বর্ষের এস এম মোহাম্মদ উল্লাহ, আতিকুর রহমান, নাজিবুল আশফাক, ত্রিশাণ দেব অভি, ও আব্দুল্লাহ আল ফাত্তাহ।

ডক্টর ইসলাম ও দীপ্তর গবেষণার শিরোনাম হলো  ‘জিওকেমিক্যাল অ্যান্ড পেট্রোফিজিক্যাল অ্যানালাইসিস অব কোল ফ্রম হাকালুকি হাওর’। গবেষণায়, এ কয়লায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদন সালফার এর পরিমাণ এক শতাংশ, কয়লার দাহ্য উপাদান কার্বনের পরিমাণ পঁয়ত্রিশ শতাংশ পাওয়া গিয়েছে। এ অঞ্চল থেকে কয়লা উত্তোলন করতে পারলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে অনেক লাভবান হবে।

ডক্টর ইসলাম জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউলা উপজেলা অংশের চাতলা বিলে মাটির ০.৫ থেকে ৭ মিটার নিচে পাওয়া কয়লাটির নমুনার মৌলিক উপাদানগত ও রাসায়নিক বিশ্লেষণের কাজ করছেন তারা। বিশ্লেষণের মধ্যে রয়েছে আর্দ্রতা (ময়েশ্চার কন্টেন্ট) নির্ণয়, ছাইয়ের পরিমাণ নির্ণয়, শক্তির উৎপাদন ক্ষমতা নির্ণয়, তাপের মান বা জ্বলার ক্ষমতা নির্ণয়, ও উপাদান বিশ্লেষণ।

প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, গভীরতা কম হওয়ায় কয়লা উত্তোলনের পর জমিগুলো পুনরায় ব্যবহার করা যাবে। এ কয়লা গৃহস্থালি কাজ ও বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার উপযোগী কালো কয়লার (পিট) তুলনায় অধিক গুণগত মানের কয়লা, যা নমুনা ভেদে প্রতি কেজিতে সাড়ে পাঁচ হাজার কিলোক্যালরি পর্যন্ত শক্তি পাওয়া গিয়েছে। গবেষক দীপ্ত বলেন, ‘পিট কয়লাতে সাধারণত প্রতি কেজিতে দুই হাজার আটশ থেকে সর্বোচ্চ চার হাজার পর্যন্ত কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।’ 

গবেষকদের দাবি, ওই অঞ্চল থেকে লালচে বা লিগনাইটে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা (বিসিএসআরআই কর্তৃক পরীক্ষিত) করে শতকরা ১ ভাগেরও নিচে সালফার (সালফার যত কম হবে পরিবেশের ক্ষতি কম) ও ৩৫ ভাগ পর্যন্ত কার্বন পাওয়া গেছে (কাবর্ন বেশি হলে কয়লা জ্বলে বেশি)। চলমান গবেষণা আরও অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ও আশানুরূপ ফলাফলের ব্যাপারে গবেষকদল আশাবাদী। তবে শুধুমাত্র একটি অঞ্চল নয় পুরো হাকালুকি হাওরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা দরকার। যা অনেক ব্যয় সাপেক্ষ। সেক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে বড় আকারের অর্থ বরাদ্দ দিলে গবেষণা কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।

Share via email

ক্যাটাগরি অনুযায়ী সংবাদ

এই সংবাদটি ১ মে ২০১৭ইং, সোমবার ১৬টা ০৩মিনিটে গবেষণা, পেট্রোলিয়াম ও খনিকৌশল (PME), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বিভাগীয়, শীর্ষ সংবাদ, সর্বশেষ ক্যাটাগরিতে প্রকাশিত হয়। এই সংবাদের মন্তব্যগুলি স্বয়ঙ্ক্রিয় ভাবে পেতে সাবস্ক্রাইব(RSS) করুন। আপনি নিজে মন্তব্য করতে চাইলে নিচের বক্সে লিখে প্রকাশ করুন।

মন্তব্যসমূহ

120 x 200 [Sitewide - Site Festoon]
প্রধান সম্পাদক: সৈয়দ মুক্তাদির আল সিয়াম, বার্তা সম্পাদক: আকিব হাসান মুন

প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার প্রধান সম্পাদকের। Copyright © 2013-2017, SUSTnews24.com | Hosting sponsored by KDevs.com