360 x 130 ad code [Sitewide - Site Header]

কিন স্কুলের ১৩ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

Share via email

‘শিক্ষা’ কী কোন সুযোগ?নাকি এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার?মানুষের ৫ টি মৌলিক অধিকারের মাঝে শিক্ষা অন্যতম একটি হলেও বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের জন্যে এটি পুরোপুরি সত্য নয়।এ দেশে এমন শিশুর সংখ্যা নেহাৎ কম নয়,যারা এই অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।অধিকার বঞ্চিত এসব শিশুরা যাতে স্বল্প পরিসরে হলেও তাদের প্রাপ্য অধিকারটুকু পায়,তা নিশ্চিত করতে ২০০৪ সালের ২৬ শে মার্চ যাত্রা শুরু হয়েছিল KIN  স্কুলের। KIN স্কুল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,সিলেটের অন্যতম একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন KIN এর ৫ টি ভিত্তির মাঝে একটি।শাবিপ্রবির একদল স্বপ্নবিলাসী এবং আত্মনিবেদিত তরুণের হাত ধরে যাত্রা শুরু হয়েছিল KIN স্কুলের।KIN স্কুল চালিত হয় শাবিপ্রবির আত্মনিবেদিত কিছু শিক্ষার্থীর দ্বারা।

গত ২৬ শে মার্চ KIN স্কুলের ১৩ তম বর্ষপূর্তি হয়েছে।KIN স্কুলের ১৩ তম বর্ষপূর্তি  উদযাপন উপলক্ষে গতকাল ৩০শে মার্চ রোজ বৃহস্পতিবার আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। শাবিপ্রবির মিনি অডিটোরিয়ামে বিকেল ৪ টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও KIN এর উপদেষ্টা অধ্যাপক এ.কে.এম. মাজহারুল ইসলাম।তিনি বলেন, “উন্নত দেশের তুলনায় উন্নয়নশীল দেশের মানুষেরা সবাই কম-বেশী বঞ্চিত।কিন্তু আমাদের মাঝেই আবার কিছু মানুষ আছে যারা বেঁচে থাকার জন্যে নুন্যতম সুবিধাটুকুও পায় না।আমরা যারা সেই সুবিধাটুকু পাই,তাদের সবারই দায়িত্ব সুবিধাবঞ্চিত এসব মানুষের পাশে দাঁড়ানো। KIN তার সূচনালগ্ন থেকেই এ কাজটি করে থাকে। এজন্যে KIN এর সকল সদস্য নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।শিক্ষার্থীরা যে তাদের ব্যস্ততার মাঝে থেকেও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্যে, মানুষের জন্যে কাজ করে যাচ্ছে তা থেকে সমাজের প্রতিটি মানুষের শিক্ষা নেওয়া উচিত।” বিকেল ৪ টায় কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি। এরপর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।KIN স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা একে একে গান, কবিতা আবৃত্তি,নৃত্য,নাটিকা এবং পুঁথি পাঠ পরিবেশন করে।ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মনোমুগদ্ধকর পরিবেশনায় মুখরিত ছিল পুরো মিনি অডিটোরিয়াম।KIN এর সভাপতি হোসাইন আহমেদ নিশানের সমাপনী বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বাচ্চাদের সাথে সময় কাটানোর জন্যে এবং তাদেরকে উৎসাহিত করার জন্যে সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি। ১৩ টি বছর যারা KIN স্কুলের সাথে ছিলেন,তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।সামনের দিনগুলিতে আরো বেশী মানুষ KIN স্কুলের সাথে থাকবেন,বাচ্চাদের সাথে থাকবেন- এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

KIN স্কুল সপ্তাহের প্রতিদিন খোলা থাকে। Shahjala University School এ প্রতিদিন বিকেল ৪ টা থেকে KIN স্কুলের বাচ্চাদের পড়ানো হয়।KIN স্কুলে বাচ্চাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি গান, কবিতা আবৃত্তি,নৃত্য,অভিনয় এবং মানুষ হিসেবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়া হয়। “চেনা হোক প্রতিটি মুখ শিক্ষার আয়নায়” এই লক্ষকে সামনে রেখে এগিয়ে চলেছে KIN স্কুল ।

Share via email

ক্যাটাগরি অনুযায়ী সংবাদ

এই সংবাদটি ১ এপ্রিল ২০১৭ইং, শনিবার ০টা ০৫মিনিটে কিন, সংগঠন, সর্বশেষ ক্যাটাগরিতে প্রকাশিত হয়। এই সংবাদের মন্তব্যগুলি স্বয়ঙ্ক্রিয় ভাবে পেতে সাবস্ক্রাইব(RSS) করুন। আপনি নিজে মন্তব্য করতে চাইলে নিচের বক্সে লিখে প্রকাশ করুন।

Leave a Reply

300 x 250 ad code innerpage

Recent Entries

120 x 200 [Sitewide - Site Festoon]
প্রধান সম্পাদক: সৈয়দ মুক্তাদির আল সিয়াম, বার্তা সম্পাদক: আকিব হাসান মুন

প্রকাশিত সকল সংবাদের দায়ভার প্রধান সম্পাদকের। Copyright © 2013-2017, SUSTnews24.com | Hosting sponsored by KDevs.com